১১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় সূর্যের ঝলমলে রোদ্দুর জনজীবন ফিরেছে স্বস্তি 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০১:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ গত ক’দিন আগে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে দিনের বেলায় একেবারেই চোখেই পড়েনি সূর্যের আলো। হঠাৎ গতকাল সূর্যের আলো(রোদ্দুর)মাটিতে পড়ায় বগুড়া সোনাতলায় জনজীবনে ফিরেছে বেশ স্বস্তি। তবে এই রোদ্দুর কিন্তু বেশীক্ষণ স্থায়ী ছিলোনা। স্থানীয় অনেকেই জানান গত ক’দিন আগে চলমান শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে দেখা দিয়েছিলো বেশ দুর্ভোগ। তীব্র শীত সেই সাথে ঘন কুয়াশায় বেশ ভোগান্তির শিকার হন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। যদিও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তীব্র শীতের কারণে শীত জনিত বেশ কিছু রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা শিশু ও বৃদ্ধদের। তবে রোদ্দেদুরের দেখা পাওয়ায় কিছুটা হলেও জনমনে ফিরেছে স্বস্তি। যদিও উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার হিসেবে কম্বল বিতরণ করতে দেখা গেছে এবং কম্বল বিতরণ চলমান থাকবে বলে জানাগেছে প্রসাশনের পক্ষ থেকে।অটোভ্যান চালক ইলিয়াস হোসেন জানান গত ক’দিন তীব্র শীতে নানা এলাকায় ঘুরে দেখেছি মানুষ বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে খুব একটা বের হয়নি। তবে রোদ্দুরের দেখা মিলায় রাস্তাঘাটে দেখা মিলছে সাধারণ মানুষের। যদিও একারণেই গত ক’দিন রোজগার অন্যদিনের চেয়ে অনেকাংশে কম হয়েছিল।গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মুকুল হোসেন জানান তিব্র শীতের মধ্যে শীতের নানা ধরনের পোশাক কিনতে লোকজনের ব্যাপক ভীর ছিল। ফলে ওই ক’দিন বেচাবিক্রিও বেশ ভালো হয়েছে। তবে রোদ্দুর উঠায় শীতের পোশাক বেচাকেনা অনেক কমে গেছে। এদিকে সবজি বিক্রেতারা একই সুরে কথা বলেছেন,তাদের  দাবি ঘন কুয়াশা এবং শীতের কারণে সবজির বাজার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে পাইকারি বাজারে নতুন আলুর দাম বেশ বেড়েছে। কারণে হিসেবে উল্লেখ করেন কুয়াশা ও শীতের মধ্যে আলু চাষীরা মাঠে থেকে খুব একটা আলু উঠাইনি। অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান তীব্র শীতে তাদের দোকানেও কেনাকাটায় ক্রেতাদের দেখা ছিলো বেশ কম। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান জানান শীতে বেশ কিছু রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে প্রাণীদের। তবে এর মধ্যে হাঁস এবং মুরগি আক্রান্ত হয় বেশি। ফলে রোদ্দের দেখার মিলায় অনেক রোগ থেকেই মুক্ত থাকবে এসব প্রাণী। এদিকে হাঁস মুরগি সহ অন্যান্য প্রাণীদের ভিটামিন সি সহ প্রয়োজনীয় ঔষধ খাওয়ার পরামর্শ তার।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

সোনাতলায় সূর্যের ঝলমলে রোদ্দুর জনজীবন ফিরেছে স্বস্তি 

প্রকাশিত: ০১:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ গত ক’দিন আগে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে দিনের বেলায় একেবারেই চোখেই পড়েনি সূর্যের আলো। হঠাৎ গতকাল সূর্যের আলো(রোদ্দুর)মাটিতে পড়ায় বগুড়া সোনাতলায় জনজীবনে ফিরেছে বেশ স্বস্তি। তবে এই রোদ্দুর কিন্তু বেশীক্ষণ স্থায়ী ছিলোনা। স্থানীয় অনেকেই জানান গত ক’দিন আগে চলমান শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে দেখা দিয়েছিলো বেশ দুর্ভোগ। তীব্র শীত সেই সাথে ঘন কুয়াশায় বেশ ভোগান্তির শিকার হন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। যদিও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তীব্র শীতের কারণে শীত জনিত বেশ কিছু রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা শিশু ও বৃদ্ধদের। তবে রোদ্দেদুরের দেখা পাওয়ায় কিছুটা হলেও জনমনে ফিরেছে স্বস্তি। যদিও উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার হিসেবে কম্বল বিতরণ করতে দেখা গেছে এবং কম্বল বিতরণ চলমান থাকবে বলে জানাগেছে প্রসাশনের পক্ষ থেকে।অটোভ্যান চালক ইলিয়াস হোসেন জানান গত ক’দিন তীব্র শীতে নানা এলাকায় ঘুরে দেখেছি মানুষ বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে খুব একটা বের হয়নি। তবে রোদ্দুরের দেখা মিলায় রাস্তাঘাটে দেখা মিলছে সাধারণ মানুষের। যদিও একারণেই গত ক’দিন রোজগার অন্যদিনের চেয়ে অনেকাংশে কম হয়েছিল।গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মুকুল হোসেন জানান তিব্র শীতের মধ্যে শীতের নানা ধরনের পোশাক কিনতে লোকজনের ব্যাপক ভীর ছিল। ফলে ওই ক’দিন বেচাবিক্রিও বেশ ভালো হয়েছে। তবে রোদ্দুর উঠায় শীতের পোশাক বেচাকেনা অনেক কমে গেছে। এদিকে সবজি বিক্রেতারা একই সুরে কথা বলেছেন,তাদের  দাবি ঘন কুয়াশা এবং শীতের কারণে সবজির বাজার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে পাইকারি বাজারে নতুন আলুর দাম বেশ বেড়েছে। কারণে হিসেবে উল্লেখ করেন কুয়াশা ও শীতের মধ্যে আলু চাষীরা মাঠে থেকে খুব একটা আলু উঠাইনি। অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান তীব্র শীতে তাদের দোকানেও কেনাকাটায় ক্রেতাদের দেখা ছিলো বেশ কম। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান জানান শীতে বেশ কিছু রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে প্রাণীদের। তবে এর মধ্যে হাঁস এবং মুরগি আক্রান্ত হয় বেশি। ফলে রোদ্দের দেখার মিলায় অনেক রোগ থেকেই মুক্ত থাকবে এসব প্রাণী। এদিকে হাঁস মুরগি সহ অন্যান্য প্রাণীদের ভিটামিন সি সহ প্রয়োজনীয় ঔষধ খাওয়ার পরামর্শ তার।