
স্টাপ রিপোর্টারঃ বগুড়া সোনাতলায় জেঁকে বসেছে শীত,সন্ধ্যা হলেই সকাল পর্যন্ত কুয়াশাচ্ছন্নতায় রাস্তাঘাট।হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। সেই সাথে বইছে হিমশীতল হাওয়া এতে করে কিছটা নাজেহাল জনজীবন। তবে সবচেয়ে বেশী কষ্ট লক্ষ্য করা গেছে শিশু,বৃদ্ধ ও নিম্ন আয়ের মানুষদের। আবহাওয়া অধিদপ্তর তথ্য মতে রাজশাহী বিভাগ জুড়ে ৯ডিগ্ৰি সেলসিয়িসের কিছু উর্ধ্বে রয়েছে তাপমাত্রা। এতে করে ক’দিনে ঠিকমতো দেখা মিলছে না সূর্যের। অনেকেই জানিয়েছেন গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার শীতের তিব্রতা অনেক বেশি,মনে হচ্ছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ চলছে। হাটবাজার সহ মার্কেটে শীত পোশাক কেনাকাটায় বেশ ভীর বেড়েছ। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে প্রতিবছর রাজনৈতিক দল সামাজিক সংগঠন এর ব্যানারে শীতে কম্বল উপহার হিসেবে বিতরণ করা হলেও এবার নির্বাচনী হাওয়া বইছে তথাপি কম্বল বিতরণে নেই উদ্দোগ। সরেজমিনে বিভিন্ন গ্ৰামে গিয়ে দেখা যায় ৫/৭জন দলবদ্ধ হয়ে আগুন তাপাচ্ছেন। বিশেষ করে ছোট শিশুদের শীত পোষাক স্বল্পতায় রৌদ্রের অপেক্ষায় কাঁপতে দেখা গেছে। এছাড়াও চরাঞ্চলের লোকজন জানান শীতের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পেয়েছে।তাদের দাবি শীতে সরকারের পক্ষ থেকে কম্বল পেলে কিছুটা শীত নিবারণে সহায়ক হবে।বাস চালক ইমরান আলী জানান,সন্ধ্যায় থেকে ব্যাপক কুয়াশা নামে রাস্তার ২০হাত দুরের কিছু চোখে পড়ে না। শীত পোষাক বিক্রেতা রংধনু মার্কেটের বিপরীতে ইউনিক ব্রান্ড এর সত্ত্বাধিকারী মেহেদী হাসান(সুমন)জানান নানা ধরনের শীতের পোশাক কিনতে ছেলে মেয়েরা আমাদের দোকানে আসছেন। এদিকে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শহিদুল ইসলাম প্রতিবেদক কে জানান শীতের কারণে শীত জনিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেতে পারে।তার মতে শ্বাসকষ্ট,নিমুনিয়া,সর্দি কাশি সহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকার শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ শুরু করা হয়েছে বলে জানাগেছে।প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন শীতে সাধারনত গবাদি পশুর মধ্যে সাধারণত হাঁস মুরগি বেশি শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। এরমধ্যে হাঁস মুরগি ও পোল্ট্রি ফার্ম গুলোর চারিদিক ঢেকে রাখা সহ শীত থেকে প্রাণীদের রক্ষায় ভিটামিন সি ও অন্যান্য ঔষধ প্রয়োগ করার পরামর্শ তার। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকৃতি প্রামাণিক প্রতিবেদক কে জানান,ইতিমধ্যেই সরকারের শীত উপহার হিসেবে বিভিন্ন গ্ৰামে প্রান্তিক ও খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ শুরু করা হয়েছে তবে এটি ধারাবাহিক ভাবে চলমান থাকবে।

প্রতিবেদক 




















