১১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ষ্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে হাজার হাজার ছাত্র-জনতার উপস্থিতিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১২:২৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টা: বগুড়ার সোনাতলার সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ষ্টেশনে আজ রোববার আঞ্জনগর এক্সপ্রেস করতোয়া ও দোলনচাঁপা ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেয় ছাত্র-জনতা, শিক্ষক। ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী সহ সকল শ্রেণি ও পেশার হাজার হাজার মানুষ।
সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা আঞ্জনগর এক্সপ্রেস করতোয়া ও বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত দোলনচাঁপা ওই দুটি ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে জন গুরুত্বপূর্ণ সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ষ্টেশনে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত ছিল। অবস্থান কর্মসূচিতে সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ওই ষ্টেশনে ভটভটি, মটর সাইকেল, অটোরিকশা সিএনজি, মাইক্রোবাস যোগে আসতে থাকে। তবে দীর্ঘ সময় ছাত্র-জনতার অবস্থান কর্মসূচিতে কোন অপ্রীতিকার ঘটনা ঘটেনি। শান্ত প্রিয় ভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় ট্রেনের যাত্রীদের সামান্য ভোগান্তি লক্ষ্য করা গেলেও জন গুরুত্বপূর্ণ ওই ষ্টেশনে যাত্রা বিরতির সমর্থনে ছিলেন ট্রেন যাত্রীরাও।
স্থানীয় এলাকাবাসী সহ সকল শ্রেণি ও পেশার লোকজনের এ দাবিটি দীর্ঘদিনের। সৈয়দ আহম্মাদ কলেজ ষ্টেশনটি একটি বাণিজ্যিক এলাকা। এখানে রয়েছে ১টি অনার্স-মাস্টার্স পাঠদানকারী কলেজ প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মডেল মাদ্রাসা, এতিমখানা মাদ্রাসা, সৈয়দ আহম্মদ কূলেজ হাট, অসংখ্য এনজিও প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বীমা, শিল্প কলকারখানা। স্থানীয়দের দাবি সৈয়দ আহম্মাদ কলেজ ষ্টেশন থেকে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার রেল যাত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। এছাড়াও কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায়।
এ সময় সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের এমএলএ মরহুম সৈয়দ আহম্মদের ছেলে সহিদুল হক টুলুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, সৈয়দ আহম্মদ কলেজের অধ্যক্ষ সাইদুজ্জামান, সৈয়দ আহম্মদ মডেল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মোমিন, সুখানপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ, সুখানপুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহিদুল ইসলাম, সৈয়দ আহম্মদ নূরানী কোরআন একাডেমির পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার নাসিদুল হক মাসনবী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তানভির আহমেদ সোহান, আইয়ুব হোসেন, আবুল কালাম আজাদ মিঠু, ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম, প্রভাষক রেজাউল কবির, ইউনুস আলী পান্নু, মাহফুজুল হক গোলাপ সরকার, শিপন মিয়া মিঠু প্রমুখ। এরপর ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে করতোয়া আন্তনগর ট্রেনের পরিচালক সাখাওয়াত হোসেনকে যাত্রা বিরতির দাবিতে স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়
এ বিষয়ে করতোয়া ট্রেনের পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ষ্টেশন সান্তাহার- বোনারপাড়া রুটের একটি জনগুরুত্বপূর্ণ ষ্টেশন। এই ষ্টেশন থেকে হাজার হাজার যাত্রী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ট্রেনে দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলে যাতায়াত করেন। এখানে আঞ্জনগর ট্রেনের বিরতি দেওয়া হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা বাণিজ্য, শিল্প কলকারখানার প্রসার বৃদ্ধি পাবে। আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই ষ্টেশনে যাত্রা বিরতির জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ষ্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে হাজার হাজার ছাত্র-জনতার উপস্থিতিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন

প্রকাশিত: ১২:২৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টা: বগুড়ার সোনাতলার সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ষ্টেশনে আজ রোববার আঞ্জনগর এক্সপ্রেস করতোয়া ও দোলনচাঁপা ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেয় ছাত্র-জনতা, শিক্ষক। ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী সহ সকল শ্রেণি ও পেশার হাজার হাজার মানুষ।
সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা আঞ্জনগর এক্সপ্রেস করতোয়া ও বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত দোলনচাঁপা ওই দুটি ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে জন গুরুত্বপূর্ণ সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ষ্টেশনে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত ছিল। অবস্থান কর্মসূচিতে সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ওই ষ্টেশনে ভটভটি, মটর সাইকেল, অটোরিকশা সিএনজি, মাইক্রোবাস যোগে আসতে থাকে। তবে দীর্ঘ সময় ছাত্র-জনতার অবস্থান কর্মসূচিতে কোন অপ্রীতিকার ঘটনা ঘটেনি। শান্ত প্রিয় ভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় ট্রেনের যাত্রীদের সামান্য ভোগান্তি লক্ষ্য করা গেলেও জন গুরুত্বপূর্ণ ওই ষ্টেশনে যাত্রা বিরতির সমর্থনে ছিলেন ট্রেন যাত্রীরাও।
স্থানীয় এলাকাবাসী সহ সকল শ্রেণি ও পেশার লোকজনের এ দাবিটি দীর্ঘদিনের। সৈয়দ আহম্মাদ কলেজ ষ্টেশনটি একটি বাণিজ্যিক এলাকা। এখানে রয়েছে ১টি অনার্স-মাস্টার্স পাঠদানকারী কলেজ প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মডেল মাদ্রাসা, এতিমখানা মাদ্রাসা, সৈয়দ আহম্মদ কূলেজ হাট, অসংখ্য এনজিও প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বীমা, শিল্প কলকারখানা। স্থানীয়দের দাবি সৈয়দ আহম্মাদ কলেজ ষ্টেশন থেকে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার রেল যাত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। এছাড়াও কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায়।
এ সময় সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের এমএলএ মরহুম সৈয়দ আহম্মদের ছেলে সহিদুল হক টুলুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, সৈয়দ আহম্মদ কলেজের অধ্যক্ষ সাইদুজ্জামান, সৈয়দ আহম্মদ মডেল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মোমিন, সুখানপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ, সুখানপুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহিদুল ইসলাম, সৈয়দ আহম্মদ নূরানী কোরআন একাডেমির পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার নাসিদুল হক মাসনবী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তানভির আহমেদ সোহান, আইয়ুব হোসেন, আবুল কালাম আজাদ মিঠু, ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম, প্রভাষক রেজাউল কবির, ইউনুস আলী পান্নু, মাহফুজুল হক গোলাপ সরকার, শিপন মিয়া মিঠু প্রমুখ। এরপর ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে করতোয়া আন্তনগর ট্রেনের পরিচালক সাখাওয়াত হোসেনকে যাত্রা বিরতির দাবিতে স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়
এ বিষয়ে করতোয়া ট্রেনের পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ষ্টেশন সান্তাহার- বোনারপাড়া রুটের একটি জনগুরুত্বপূর্ণ ষ্টেশন। এই ষ্টেশন থেকে হাজার হাজার যাত্রী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ট্রেনে দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলে যাতায়াত করেন। এখানে আঞ্জনগর ট্রেনের বিরতি দেওয়া হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা বাণিজ্য, শিল্প কলকারখানার প্রসার বৃদ্ধি পাবে। আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই ষ্টেশনে যাত্রা বিরতির জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে।