০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অভিভাবকদের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের গাবতলীর মড়িয়া হাইস্কুলে লাইব্রেরীয়ান বেতন নিলেও কোন লাইব্রেরী নেই

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৩:৫২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

মুহাম্মাদ আবু মুসা: বগুড়া গাবতলীর মড়িয়া আরএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত এমপিও ভূক্ত হয়ে দীর্ঘ ৪বছর যাবৎ সরকারী কোষাগার থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করলেও ওই বিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত কোন লাইব্রেরী নেই। সহকারী লাইব্রেরীয়ায়ানের কোন কার্যক্রম ছাড়াই সরকারী কোষাগার থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭লাখ টাকা বেতন ভাতা উত্তোলন করে আতœসাৎ করার ঘটনায় এলাকাবাসি ও অভিভাবকদের পক্ষে ঢাকাস্থ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর অনুলিপি দেয়া হয়েছে বগুড়া জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার, বগুড়া দূর্নীতি দমন কমিশন, গাবতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক এর নিকট। দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, মড়িয়া আরএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথমে ২০১৬সালের ৬জুন ভূয়া সনদ এর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে মোছাঃ ছামছুন্নাহার খাতুন সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) নিয়োগ লাভ করেন। ভূয়া সনদ এর কারনে দীর্ঘদিন এমপিও ভূক্ত হতে পারেননি। পরবর্তীতে তার আতœীয় স্বজন প্রভাব খাটিয়ে ও দূর্নীতির মাধ্যমে ২০১৯সালের ১নভেম্বর অবৈধভাবে এমপিও ভূক্ত হন মোছাঃ ছামছুন্নাহার খাতুন। যার (ইনডেক্স নং ১১৫৬৩১৭)। উক্ত সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) ছামছুন্নাহার খাতুন বিদ্যালয়ের কোন কাজ কর্ম করে না এবং বিদ্যালয়টি কোন লাইব্রেরী এখন পর্যন্ত স্থাপন করা হয়নি। বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও এলাকার লোকজন প্রধান শিক্ষকের নিকট বিষয়টি জানালে তিনি (প্রধান শিক্ষক) বলেন তার আতœীয় স্বজন প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে কিছু বলা যায় না। এ বিষয়ে ওই বিদ্যায়ের সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) ছামছুন্নাহার এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ সঠিক নিয়ম অনুযায়ী আমাকে নিয়োগ দেয়ার পর এমপিও ভূক্ত হয়েছি এবং যথাযথভাবে বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছি। তবে আমার বিরুদ্ধে একটি মহল গভীরভাবে ষড়যন্ত্র করছে। বিদ্যালয়ের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান, ২০১৬সালে লক্ষাধিক টাকার বই ক্রয় করে লাইব্রেরী করা হয়েছিল। এ ছাড়া সঠিক নিয়ম অনুযায়ী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) পদে নিয়োগ হয়েছে। এখন লাইব্রেরী বা বই গুলো কোথায় গেছে আমাদের জানা নেই। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার হযরত আলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন বলেন, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ আমি হাতে পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মড়িয়া আরএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদকে বিদ্যালয়ে পাওয়ায় না গেলেও সহকারী প্রধান শিক্ষক মাহমুদা নাসরিন জানান, এই বিদ্যালয়ে তেমন কোন সমস্যা নেই। সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) ছামছুন্নাহার বিদ্যালয়ে নিয়োমিত কাজ করছেন।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

মহাস্থান মাজার জামে মসজিদে সাবেক এমপি মরহুম সাইদ ইস্কান্দার এর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল 

অভিভাবকদের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের গাবতলীর মড়িয়া হাইস্কুলে লাইব্রেরীয়ান বেতন নিলেও কোন লাইব্রেরী নেই

প্রকাশিত: ০৩:৫২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩

মুহাম্মাদ আবু মুসা: বগুড়া গাবতলীর মড়িয়া আরএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত এমপিও ভূক্ত হয়ে দীর্ঘ ৪বছর যাবৎ সরকারী কোষাগার থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করলেও ওই বিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত কোন লাইব্রেরী নেই। সহকারী লাইব্রেরীয়ায়ানের কোন কার্যক্রম ছাড়াই সরকারী কোষাগার থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭লাখ টাকা বেতন ভাতা উত্তোলন করে আতœসাৎ করার ঘটনায় এলাকাবাসি ও অভিভাবকদের পক্ষে ঢাকাস্থ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর অনুলিপি দেয়া হয়েছে বগুড়া জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার, বগুড়া দূর্নীতি দমন কমিশন, গাবতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক এর নিকট। দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, মড়িয়া আরএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথমে ২০১৬সালের ৬জুন ভূয়া সনদ এর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে মোছাঃ ছামছুন্নাহার খাতুন সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) নিয়োগ লাভ করেন। ভূয়া সনদ এর কারনে দীর্ঘদিন এমপিও ভূক্ত হতে পারেননি। পরবর্তীতে তার আতœীয় স্বজন প্রভাব খাটিয়ে ও দূর্নীতির মাধ্যমে ২০১৯সালের ১নভেম্বর অবৈধভাবে এমপিও ভূক্ত হন মোছাঃ ছামছুন্নাহার খাতুন। যার (ইনডেক্স নং ১১৫৬৩১৭)। উক্ত সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) ছামছুন্নাহার খাতুন বিদ্যালয়ের কোন কাজ কর্ম করে না এবং বিদ্যালয়টি কোন লাইব্রেরী এখন পর্যন্ত স্থাপন করা হয়নি। বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও এলাকার লোকজন প্রধান শিক্ষকের নিকট বিষয়টি জানালে তিনি (প্রধান শিক্ষক) বলেন তার আতœীয় স্বজন প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে কিছু বলা যায় না। এ বিষয়ে ওই বিদ্যায়ের সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) ছামছুন্নাহার এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ সঠিক নিয়ম অনুযায়ী আমাকে নিয়োগ দেয়ার পর এমপিও ভূক্ত হয়েছি এবং যথাযথভাবে বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছি। তবে আমার বিরুদ্ধে একটি মহল গভীরভাবে ষড়যন্ত্র করছে। বিদ্যালয়ের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান, ২০১৬সালে লক্ষাধিক টাকার বই ক্রয় করে লাইব্রেরী করা হয়েছিল। এ ছাড়া সঠিক নিয়ম অনুযায়ী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) পদে নিয়োগ হয়েছে। এখন লাইব্রেরী বা বই গুলো কোথায় গেছে আমাদের জানা নেই। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার হযরত আলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন বলেন, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ আমি হাতে পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মড়িয়া আরএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদকে বিদ্যালয়ে পাওয়ায় না গেলেও সহকারী প্রধান শিক্ষক মাহমুদা নাসরিন জানান, এই বিদ্যালয়ে তেমন কোন সমস্যা নেই। সহকারী লাইব্রেরীয়ান (শিক্ষক) ছামছুন্নাহার বিদ্যালয়ে নিয়োমিত কাজ করছেন।