০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় হত্যা মামলার আসামী রকি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০১:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে
বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ গত (২২-১০-২৩) রবিবার বগুড়া জেলার গাবতলী থানার দূর্গাহাটা ইউনিয়নের হাতিবান্ধা মধ্যপাড়া গ্রামে নিজ বসতবাড়ীর ৩০০ মিটার দূরে ধানক্ষেত থেকে নাজমুল (৩৫) কে অজ্ঞাতনামা দুস্কৃতিকারীরা হত্যা করে লাশ ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যায়। এর ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে বগুড়া জেলার গাবতলী থানায় একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গাবতলী থানার মামলা নং-১৯, তারিখ-২৩ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রি. ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড ধারায় মামলাটি রুজু হয়।
ভিকটিমের স্ত্রীর দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে যে, প্রায় ০১ বছর পূর্বে তার ফুফাতো ভাই সোহেলের মেয়েকে ধর্ষণ সংক্রান্তে বগুড়া সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রুজু হয়। উক্ত মামলায় তার স্বামী নাজমুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ মামলার বাদী সোহেলকে সিএনজি করে বগুড়া কোর্টে আনা নেওয়া করতো। ধর্ষণ মামলার আসামী উজ্জল, রকি সহ তার স্বামী নাজমুলকে মামলাটি আপোষ-মিমাংসা করে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। তার স্বামী ভিকটিম নাজমুল তাদের কথায় রাজি না হওয়ায় তারা খুন জখমের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। তাদের হুমকিতে তার স্বামী নাজমুল প্রায় ০৩ মাস পূর্ব হতে সিএনজি চালানো বাদ দেয় এবং সে প্রচন্ড মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরে।
তার স্বামী প্রায় সময়ই ভীত হয়ে বলত “ উজ্জল ও রকি লোকজন দিয়ে তাকে মেরে ফেলবে। তুমি আমার ছেলে-মেয়েকে দেখে রেখ।” ভিকটিমকে গুম করার উদ্দেশ্যেই এমন নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকান্ডটি সংঘঠিত হয় যা বগুড়া জেলা সহ সারা দেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় আলোড়ন তৈরি করে। ঘটনার পরপরই র‌্যাব-১২ বগুড়া, হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে সার্বক্ষনিক সমন্বয় করে ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১২ বগুড়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, বগুড়া জেলার গাবতলী থানার মামলা নং-১২, তারিখ-২৩/১০/২০২৩, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড সংক্রান্তে রুজুকৃত ক্লুলেস হত্যা মামলার এজাহারে লিখিত ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামী বগুড়া জেলার কাহালু থানার মালঞ্চা ইউনিয়ন এলাকায় অবস্থান করছে।
এই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ২৫ অক্টোবর ২০২৩, রাত্রি আনুমানিক ১টা ৫ মিনিটে, র‌্যাব সদর দপ্তর (ইন্ট উইং) এর সার্বিক সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সিপিএসসি, বগুড়া এর যৌথ অভিযানে উক্ত এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে এজাহারে লিখিত ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামী মোঃ রকি (৩৪), পিতা- মোঃ হারুন, সাং-হাতিবান্ধা, থানা-গাবতলী, জেলা-বগুড়াকে মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে বগুড়া জেলার গাবতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।
Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

মহাস্থান মাজার জামে মসজিদে সাবেক এমপি মরহুম সাইদ ইস্কান্দার এর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল 

বগুড়ায় হত্যা মামলার আসামী রকি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার

প্রকাশিত: ০১:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩
বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ গত (২২-১০-২৩) রবিবার বগুড়া জেলার গাবতলী থানার দূর্গাহাটা ইউনিয়নের হাতিবান্ধা মধ্যপাড়া গ্রামে নিজ বসতবাড়ীর ৩০০ মিটার দূরে ধানক্ষেত থেকে নাজমুল (৩৫) কে অজ্ঞাতনামা দুস্কৃতিকারীরা হত্যা করে লাশ ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যায়। এর ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে বগুড়া জেলার গাবতলী থানায় একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গাবতলী থানার মামলা নং-১৯, তারিখ-২৩ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রি. ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড ধারায় মামলাটি রুজু হয়।
ভিকটিমের স্ত্রীর দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে যে, প্রায় ০১ বছর পূর্বে তার ফুফাতো ভাই সোহেলের মেয়েকে ধর্ষণ সংক্রান্তে বগুড়া সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রুজু হয়। উক্ত মামলায় তার স্বামী নাজমুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ মামলার বাদী সোহেলকে সিএনজি করে বগুড়া কোর্টে আনা নেওয়া করতো। ধর্ষণ মামলার আসামী উজ্জল, রকি সহ তার স্বামী নাজমুলকে মামলাটি আপোষ-মিমাংসা করে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। তার স্বামী ভিকটিম নাজমুল তাদের কথায় রাজি না হওয়ায় তারা খুন জখমের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। তাদের হুমকিতে তার স্বামী নাজমুল প্রায় ০৩ মাস পূর্ব হতে সিএনজি চালানো বাদ দেয় এবং সে প্রচন্ড মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরে।
তার স্বামী প্রায় সময়ই ভীত হয়ে বলত “ উজ্জল ও রকি লোকজন দিয়ে তাকে মেরে ফেলবে। তুমি আমার ছেলে-মেয়েকে দেখে রেখ।” ভিকটিমকে গুম করার উদ্দেশ্যেই এমন নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকান্ডটি সংঘঠিত হয় যা বগুড়া জেলা সহ সারা দেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় আলোড়ন তৈরি করে। ঘটনার পরপরই র‌্যাব-১২ বগুড়া, হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে সার্বক্ষনিক সমন্বয় করে ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১২ বগুড়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, বগুড়া জেলার গাবতলী থানার মামলা নং-১২, তারিখ-২৩/১০/২০২৩, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড সংক্রান্তে রুজুকৃত ক্লুলেস হত্যা মামলার এজাহারে লিখিত ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামী বগুড়া জেলার কাহালু থানার মালঞ্চা ইউনিয়ন এলাকায় অবস্থান করছে।
এই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ২৫ অক্টোবর ২০২৩, রাত্রি আনুমানিক ১টা ৫ মিনিটে, র‌্যাব সদর দপ্তর (ইন্ট উইং) এর সার্বিক সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সিপিএসসি, বগুড়া এর যৌথ অভিযানে উক্ত এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে এজাহারে লিখিত ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামী মোঃ রকি (৩৪), পিতা- মোঃ হারুন, সাং-হাতিবান্ধা, থানা-গাবতলী, জেলা-বগুড়াকে মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে বগুড়া জেলার গাবতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।