
আদমদীঘি(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার নসরৎপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম(৭৫) আর নেই। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। গত শনিবার (২৪ আগষ্ট) রাত ৮টায় বগুড়া টিএমএসএস হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি—রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে ২ মেয়ে,নাতী-নাতনী সহ অসংখ্য গুনাগ্রাহী রেখে যান। পরদিন রবিবার (২৫ আগষ্ট) দুপুরে মরহুমকে রাষ্ট্রীয় মর্য্যাদায় গার্ড অনারে সম্মানীত করার পর বাদযোহর নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক গোড়স্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, আদমদীঘির সহকারি কমিশনার (ভুমি) আশরাফুল ইসলাম, থানার ওসি তদন্ত শহিদুল ইসলাম, নসরতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা মন্ডল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক রশিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মোজাম্মেল হক, সাবেক কমান্ডার আব্দুল হামিদ, নসরৎপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক আবু তাহের, আফজাল হোসেনসহ মুসল্লিবৃন্দ।
#
সান্তাহারে যক্ষ্মা রোগ শনাক্তকরণে বিনামূল্যে এক্স-রে ক্যাম্পে ১১৪ জন রোগীকে চিকিৎসা সেবা
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির অধীনে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ এক্স-রে ক্যাম্পের মাধ্যমে রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। যক্ষ্মা রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার নির্দেশে আইসিডিডিআরবি এর কর্মকর্তা সাগর আহম্মেদ ও সাইফুদ্দিন ইসলাম এই এক্স-রে ক্যাম্প পরিচালনা করেন। আগত রোগীদের বিনামূল্যে ১১৪ জন রোগীকে এক্স-রে পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে ফ্যাসিলিটি অ্যান্ড কমিউনিটি-বেইজড সার্ভিস ডেলিভারি সাপোর্ট প্রজেক্ট। এ ধরনের উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ সহজে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি যক্ষ্মা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করণেও এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এক্স-রে ক্যাম্পের পাশাপাশি সান্তাহার ২০ শয্যা হাসপাতালে বহির্বিভাগে ২৬৫ জন রোগীকে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান ও ওষুধ প্রদান করেন হাসপাতালে ইনচার্জ ফার্মাসিস্ট একলিমুর হোসেন দোয়েল। তার চিকিৎসার কাজে সহযোগিতা করেন ফরিদা খাতুন। চিকিৎসা নিতে আসা সান্তাহার পৌর শহরের রথবাড়ীর মহল্লার বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান তুফান বলেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে রোগ শনাক্ত করণ ও চিকিৎসা গ্রহণের আগ্রহ আরও বাড়বে।

প্রতিবেদক 


















