০২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

আদমদীঘিতে হিজরা পল্লীর মাদকের বস্তিতে জনতা হামলা ॥ ভাংচুর- অগ্নি সংযোগ

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১১:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার পশ্চিম বাজার পাইকপাড়া রাস্তা সংলগ্ন এলাকায় হিজরা পল্লী নামক ও পাশাপাশি দুই মাদকের বস্তিতে স্থানীয় তিন গ্রামের বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযান চালিয়ে মাদকের আখড়া ভাংচুর করে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০ থেকে ১১টা পর্যন্ত বিক্ষুদ্ধ জনতার এই অভিযান চলে। আপাত দৃষ্টিতে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা হলেও সাধারণ মানুষদের বেশ স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা যায়। জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলা সদরের ডহরপুর মৌজায় আদমদীঘি ভায়া বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কের পাশে একটি অটোমেটিক চালকলের আশপাশে গড়ে উঠা বস্তিতে বসবাস করা কিছু সংখ্যক হিজরা ও অন্যান্য বসবাসকারীরা দীর্ঘ দিন ধরে গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা বড়ি সহ বিভিন্ন মাদক কারবার করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধ মাদক কারবারটি সাধারণ বৈধ পণ্য কারাবরের মত রুপ ধারণ করে। দুর-দুরান্ত থেকে শুরু করে স্থানীয় কিশোর, যুবক ও বযস্করা পর্যন্ত অবাধে এসব মাদকদ্রব্যে আসক্ত হয়ে পড়ে। বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ বিষয়টি পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানোর পরও কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। এমতাবস্থায় উপজেলা সদরের পাইকপাড়া, ডালম্বা ও ডহরপুর গ্রামের বিক্ষুব্ধ জনতা মাদকের ওই বস্তি উচ্ছেদ করা হবে বলে আগের দিন বুধবার মাইকিং করে। পুর্ব ঘোষণা মোতাবেক বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা পাশাপাশি দুই বস্তির ঘরগুলোতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ৬/৮টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসময় বস্তির বাসিন্দারা বিশেষ করে মাদক কারবারীরা পালিয়ে আত্মগোপন চলে যায়। এঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং ওই সড়কে চলাচল করা পথচারী ও ক্ষুদ্র যানবাহনের যাত্রীদের উল্লাস করার মাধ্যমে স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা যায়। ঘটনার সময় শত শত উৎসুক জনতাকে ভীর করতে দেখা যায় কিন্তু পুলিশ সহ প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি। ঘটনার সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে প্রথমে বিক্ষুব্ধ জনতা বাধা প্রদান করলেও পরে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে দেয়। এবিষয়ে মোবাইল যোগাযোগ করা হলে আদমদীঘি থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নাই। এই প্রথম আপনার মাধ্যমে জানলাম। বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

গাবতলীতে মাদক সেবনের অপরাধে তিনজনের কারাদণ্ড 

আদমদীঘিতে হিজরা পল্লীর মাদকের বস্তিতে জনতা হামলা ॥ ভাংচুর- অগ্নি সংযোগ

প্রকাশিত: ১১:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার পশ্চিম বাজার পাইকপাড়া রাস্তা সংলগ্ন এলাকায় হিজরা পল্লী নামক ও পাশাপাশি দুই মাদকের বস্তিতে স্থানীয় তিন গ্রামের বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযান চালিয়ে মাদকের আখড়া ভাংচুর করে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০ থেকে ১১টা পর্যন্ত বিক্ষুদ্ধ জনতার এই অভিযান চলে। আপাত দৃষ্টিতে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা হলেও সাধারণ মানুষদের বেশ স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা যায়। জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলা সদরের ডহরপুর মৌজায় আদমদীঘি ভায়া বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কের পাশে একটি অটোমেটিক চালকলের আশপাশে গড়ে উঠা বস্তিতে বসবাস করা কিছু সংখ্যক হিজরা ও অন্যান্য বসবাসকারীরা দীর্ঘ দিন ধরে গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা বড়ি সহ বিভিন্ন মাদক কারবার করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধ মাদক কারবারটি সাধারণ বৈধ পণ্য কারাবরের মত রুপ ধারণ করে। দুর-দুরান্ত থেকে শুরু করে স্থানীয় কিশোর, যুবক ও বযস্করা পর্যন্ত অবাধে এসব মাদকদ্রব্যে আসক্ত হয়ে পড়ে। বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ বিষয়টি পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানোর পরও কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। এমতাবস্থায় উপজেলা সদরের পাইকপাড়া, ডালম্বা ও ডহরপুর গ্রামের বিক্ষুব্ধ জনতা মাদকের ওই বস্তি উচ্ছেদ করা হবে বলে আগের দিন বুধবার মাইকিং করে। পুর্ব ঘোষণা মোতাবেক বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা পাশাপাশি দুই বস্তির ঘরগুলোতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ৬/৮টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসময় বস্তির বাসিন্দারা বিশেষ করে মাদক কারবারীরা পালিয়ে আত্মগোপন চলে যায়। এঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং ওই সড়কে চলাচল করা পথচারী ও ক্ষুদ্র যানবাহনের যাত্রীদের উল্লাস করার মাধ্যমে স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা যায়। ঘটনার সময় শত শত উৎসুক জনতাকে ভীর করতে দেখা যায় কিন্তু পুলিশ সহ প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি। ঘটনার সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে প্রথমে বিক্ষুব্ধ জনতা বাধা প্রদান করলেও পরে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে দেয়। এবিষয়ে মোবাইল যোগাযোগ করা হলে আদমদীঘি থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নাই। এই প্রথম আপনার মাধ্যমে জানলাম। বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে।