
মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়া গাবতলীর কাগইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়ে দ্বন্দ্বে উন্নয়ন ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকাবাসি। এই ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান (১) সাজেদুর রহমান শামীম মামলার আসামী হওয়ায় পলাতক থাকায় (২নং) প্যানেল চেয়ারম্যান আবু জাফর দায়িত্ব নেন। কিন্তু তার (জাফর) স্বেচ্ছাচারিতা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে ইউনিয়ন পরিষদের ১২জন মেম্বারের মধ্যে ৯জনই লিখিতভাবে অনাস্থা আনেন। এমন কি তারা (মেম্বারা) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বন্যা’র নিকট লিখিতভাবে অনাস্থা আনেন এবং নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন আবু জাফর এর বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যান না থাকায় এবং প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়ে দ্বন্দ্বের কারনে এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের বিঘন্ন হচ্ছে। এ ছাড়া জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সনদ, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশসহ আরো নানা বিষয়ে সেবা থেকে বিঘন্ন ঘটছে বা এলাকার মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে দ্বন্দ্ব সমাধানের লক্ষে স্থানীয় রাজনৈতিকদলের নেতৃবৃন্দ, গন্যমান্য ব্যক্তিসহ ইউপি মেম্বারদের নিয়ে সমঝোতা বৈঠক করার জন্য ইউপি সচিব আব্দুর রশিদকে নিদের্শ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এর প্রেক্ষিরত ইউপি সচিব তাদেরকে চিঠি দিয়ে ডেকে বুধবার কাগইল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সমঝোতা বৈঠক বা সভা করেন। এতে ১২জন মেম্বারের মধ্যে ৯জন উপস্থিত হলে ৭জন আবু জাফরের বিরোধিতা করেন প্রকাশ্যে আর শুধু মহিলা মেম্বার বিউটি বেগম তার (জাফর) এর পক্ষে কথা বলেন। যদিও এই সমঝোতা বৈঠকে সভাপতিত্বর করেন তথাকথিত প্যানেল চেয়ারম্যান আবু জাফর। ইউপি সচিব আব্দুর রশিদ এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন কাগইল ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার আব্দুল কুদ্দুস, জেলা বিএনপির সদস্য, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও কাগইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ হোসেন, কাগইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান হিলু, যুগ্ম সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আজমল হোসেন শীষ, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক আব্দুর রহমান সুলতান, যুগ্ম আহবায়ক আবু মুসা বাবুল, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য কাজী মাওঃ বজলুর রহমান, কাগইল ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর সিরাজুল ইসলাম, জামায়াত নেতা নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। ইউপি সচিব আব্দুর রশিদ সাংবাদিকদের জানান, সমঝোতা বৈঠক বা সভায় ১২জন মেম্বারের মধ্যে ৯জন উপস্থিত হলে ৭জন আবু জাফরের বিরোধিতা করেন এবং শুধু মহিলা মেম্বার বিউটি বেগম তার (জাফর) এর পক্ষে কথা বলেন। তার পরও আবু জাফর মেনে না নেওয়ায় আমরা সার্বিক বিষযটি রেজুলেশন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এর নিকট দাখিল করবো।

প্রতিবেদক 




















