
মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ মোস্তফা আলম নাননু বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষনের মধ্যদিয়েই স্বাধীনতার মুলমন্ত্র রচিত হয়েছিল। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাঙ্গালী জাতি পেয়েছে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে একটি উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি বলেন, ডিজিটাল থেকে এদেশ এখন স্মার্ট দেশ হতে যাচ্ছে। এই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ২৬মার্চ/২৪ মঙ্গলবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচীর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
শুরুতেই পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান রফি নেওয়াজ খান রবিন। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বন্যার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি ডাঃ মোস্তফা আলম নাননু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান রফি নেওয়াজ খান রবিন, ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মুক্তা ও রেকসেনা আকতার। আরো বক্তব্য রাখেন গাবতলী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ শারমিনা পারভীন শিল্পি, সমাজসেবা কর্মকর্তা নাইম হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ন আলম চাঁন্দু, আনোয়ারুল ইসলাম রন্টু প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক এমপি আমিনুল ইসলাম সরকার পিন্টু, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) নিয়াজ মেহেদীসহ সরকারী কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুখানপুকুর এমআরএম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান মজনু। গাবতলী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে এই দিবসটি পালন করেছে। ২৬মার্চ প্রত্যুষে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যমে দিবসটির শুভ সুচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, পুলিশ প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা, আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠন, বিএনপি ও অঙ্গদল, জাতীয় পার্টি, পৌরসভা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ অফিসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এনজিও সংগঠনগুলো পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। সকল সরকারি বে-সরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৮টায় পাইলট হাইস্কুল মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কুচকাওয়াজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও ডিসপ্লে প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিজয়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবেদক 




















