স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে পিটিয়ে আহত করার মামলায় আপেল মিয়া ওরফে সোনারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার গড়চৈতন্যপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সোনাতলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মোনারুল ইসলাম মন্ডল (৪৩) উপজেলা দলিল রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে গড়চৈতন্যপুর দুর্গামন্দির এলাকায় পৌঁছালে তাঁর পথরোধ করেন মুক্তার হোসেনের ছেলে আপেল মিয়া ওরফে সোনার, মৃত দুদু মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ শাহ আলম এবং মৃত জালাল উদ্দিনের দুই ছেলে মোঃ উজ্জ্বল ও মোঃ ফারুক।অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে তাঁরা পাশের মেলায় পাল সম্প্রদায়ের একটি দোকান থেকে মাটির পাতিল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মোনারুলের ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে আহত অবস্থায় তিনি স্থানীয় একটি হিন্দু বাড়িতে আশ্রয় নেন বলে জানা গেছে।
মোনারুল ইসলাম জানান, হামলাকারীরা তাঁকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন। এ সময় তাঁর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং তাঁর মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় গত ২২ অক্টোবর রাতে মোনারুল ইসলাম বাদী হয়ে উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সোনাতলা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শনিবার সকালে গড়চৈতন্যপুর গ্রামে মুক্তার হোসেনের বাড়ি থেকে আপেল মিয়া ওরফে সোনারকে গ্রেপ্তার করে।
সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন আপেল মিয়ার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শনিবার খুব সকালে তাঁকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে পুলিশি পাহারায় আদালতে পাঠানো হলে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রতিষ্ঠাতাঃ মিজানুর রহমান।
প্রকাশক ও সম্পাদক : আবুল কালাম আজাদ বাবু, মোবাইল : ০১৭১১৪১২৮৯৮,
সৈয়দ আহম্মদ কলেজ, সোনাতলা, বগুড়া।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ।। দৈনিক বগুড়া মেইল