সুশান্ত মালাকার (নিজস্ব প্রতিবেদক) বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে এক যুবক,জ্ঞান হাড়িয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটে। যুবকের নাম শ্রী তরুন চন্দ্র কর্মকার(২৮)।তরুন তালোড়া ইউনিয়নের কইল কর্মকার পাড়ার শ্রী তপন চন্দ্র কর্মকার এর ছেলে। পরিবার সুত্রে জানা যায়,তরুণ কুমার গত বৃহস্পতিবার সকালে ব্যবসায়িক কাজে বাস যোগে বগুড়াতে যান। কাজ শেষে তিনি দুপুরে বাসে দুপচাঁচিয়াতে ফেরার জন্য রওনা হয়। পথিমধ্যে চলমান গাড়িতে পাশে বসা একজন যাত্রী নিজেকে একটি কোম্পানির মেডিকেল রেপিজেন্টটিভ পরিচয় দেন। তাদের দেয়া তথ্যে তবে তিনি হুজুর টাইপের লোক এবং কথাবার্তা অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। চলমান গাড়িতে পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই রেপিজেন্টটিভ একটি বই পড়তে দেন তরুণকে। একপর্যায়ে ওই বইটির পাতা উল্টিয়ে পড়ার সময় গা মাতা ঘুরছে এমন অনুভব করে তরুন। তবে সে সময় বই পড়তে দেওয়া লোকটি সামনের বাস স্টপিজে নেমে যান। এদিকে বাসটি কিছুক্ষণ পর দুপচাঁচিয়া পৌঁছালে ওই অবস্থায় নেমে লোহা কেনার জন্য লোহার দোকানে যান তরুন। এতে করে হয়তো ২০মিনিট লেগে যায়। এরপর প্রয়োজনীয় লোহা কিনে বাড়িতে নেয়ার জন্য গ্রামের পরিচিত এক অটো এর জন্য অপেক্ষা করে তরুন। ইতিমধ্যে ক্রমান্বয়ে অসুস্থতার পরিমাণ বাড়তে থাকে।সেসময় বাড়িতে ফোনে তরুন বিষয়টি জানালে ছোট ভাই বরুন কর্মকার গিয়ে তরুন কে বাড়িতে আনে বিকেলে। এরপর বাড়িতে এসে তরুন জ্ঞান হাড়ালে আমরা দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাতে ভর্তি করি। দুই-দিন চিকিৎসা শেষে ডাক্তারের পরামর্শ বাড়িতে নিয়ে আসি তরুনকে। এ বিষয়ে বরুন কর্মকার বলেন, আমার দাদা দু'দিন জ্ঞানহীন অবস্থায় ছিলো।আজ কিছুটা কথা বলতে পারছে তবে এখনো পরিপূর্ণভাবে সুস্থ না। বাসটির মধ্যে এ ঘটনা ঘটলেও আমার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে টাকা মোবাইল এসব কিছুই নিতে পারেনি ওই যাত্রী। আমাদের সন্দেহ বইটিতে অচেতন ধরনের কোন পদার্থ ছিলো যেটির কারণে জ্ঞান হাড়িয়ে ছিলো।
প্রতিষ্ঠাতাঃ মিজানুর রহমান।
প্রকাশক ও সম্পাদক : আবুল কালাম আজাদ বাবু, মোবাইল : ০১৭১১৪১২৮৯৮,
সৈয়দ আহম্মদ কলেজ, সোনাতলা, বগুড়া।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ।। দৈনিক বগুড়া মেইল