স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার গাবতলী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানের বাসভবনের আশপাশ ও সামনে থেকে সরকারি নিয়মবহির্ভূত ভাবে এবং টেন্ডার (দরপত্র) ছাড়াই লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ উঠেছে,সরকারি সম্পদ হিসেবে বিবেচিত এসব গাছ কাটার ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনের বিধি-বিধান ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যথাযথ ভাবে নাকি অনুসরণ করা হয়নি। সাধারণত সরকারি প্রতিষ্ঠানের চত্বর বা সরকারি জমির গাছ কাটতে হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন, গাছের তালিকা প্রস্তুত,মূল্য নির্ধারণ এবং উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের মতো নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয় বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,সম্প্রতি ইউএনও’র বাসভবনের সামনে ও আশপাশে থাকা কয়েকটি বড় আকারের গাছ কেটে ফেলা হয়। এসব গাছের আনুমানিক মূল্য লক্ষাধিক টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গাছ কাটার আগে কোনো টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে কি না,সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে গাবতলী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন,উপজেলা পরিষদের মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গাছগুলো কাটা হয়েছে। গত ২৬ই এপ্রিল ঝড়ে একটি গাছ পড়ে যায়। পরে ২৮শে এপ্রিল সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়। টেন্ডার সংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বন বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং আজকে বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন,গাছ কাটার আগে বন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না এবং সরকারি সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত আর্থিক বিধিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না,তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।স্থানীয়দের দাবি,বিষয়টি নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক,যাতে সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।
প্রতিষ্ঠাতাঃ মিজানুর রহমান।
প্রকাশক ও সম্পাদক : আবুল কালাম আজাদ বাবু, মোবাইল : ০১৭১১৪১২৮৯৮,
সৈয়দ আহম্মদ কলেজ, সোনাতলা, বগুড়া।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ।। দৈনিক বগুড়া মেইল