স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার গাবতলী মডেল থানা এলাকায় এক ৭বছরের শিশু কন্যাকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় তুলে যৌন নিপীড়ন ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ওই শিশুর মা বাদী হয়ে গাবতলী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত অটোচালক হলেন,উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের চামুরপাড়া গ্ৰামের মৃত ফনি চন্দ্রের ছেলে শ্রীসীমান্ত চন্দ্র (৪৫)।সে দির্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় অটোগাড়ি চালাই।ঘটনার পর থেকে আসামী অটোচালক আত্মগোপনে রয়েছেন।এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি সুখানপুকুর গ্রামে তার নানার বাড়িতে থেকে একটি স্থানীয় কিন্ডারগার্টেনে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। গত ২৮শে জুন দুপুরে শিশুটি সিমান্তের আটোতে চড়ে নানার বাড়ি থেকে সুখানপুকুর রেল স্টেশন সংলগ্ন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়।অটোরিকশার চালক সুখানপুকুরে তার বাড়িতে না নেমে দিয়ে কৌশলে চালক সীমান্ত শিশুটিকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মহিষবাথান গ্রামের পূর্ব মাথার একটি ফাঁকা রাস্তায় নিয়ে যায়।সেখানে আসামি অটোরিকশাটি থামিয়ে কুমতলবে শিশুটিকে মোবাইলে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি দেখায়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক শিশুটিকে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটায়।এরপর ওই শিশু বাড়িতে এসে বিষয়টি তার মাকে অবগত করে। বিষয়টি নিয়ে দেনদরবার এর শেষে ১লা জুলাই থানায় মামলা দায়ের হয়।ইতিমধ্যেই অটোচালক সিমান্ত চন্দ্র টের পেয়ে আত্মগোপন করে। এবিষয়ে ওই শিশুর মা বাদি জানান আমি বাদি হয়ে ১লা জুলাই বুধবার রাতে থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেছি। স্থানীয়রা জানান,সিমান্ত চন্দ্র ছোট বেলায় থেকে বখাটে প্রকৃতির।সে প্রায়ত এলাকায় নানা ধরনের কুকর্মের সাথে দলিত। সেই সাথে আশপাশের লোকজনের সাথে মাঝে মধ্যেই ঝামেলা সৃষ্টি করে থাকেন। এলাকাবাসীর দাবি পুলিশ যেন তাকে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রাকিব জানান,এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামি পলাতক রয়েছে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিষ্ঠাতাঃ মিজানুর রহমান।
প্রকাশক ও সম্পাদক : আবুল কালাম আজাদ বাবু, মোবাইল : ০১৭১১৪১২৮৯৮,
সৈয়দ আহম্মদ কলেজ, সোনাতলা, বগুড়া।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ।। দৈনিক বগুড়া মেইল