মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার গাবতলীতে নুরুল ইসলাম উজ্জ্বল নামের এক ইউপি সদস্যের অফিসঘরে ডেকে নিয়ে সাংবাদিক শ্যামল সরকারকে মারপিট করার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে সাংবাদিক শ্যামলকে মারপিট করায় ফুঁসে উঠেছে গাবতলীর সাংবাদিক সমাজ। জানা গেছে, গাবতলীর সুখানপুকুর ইউনিয়নের চামুরপাড়া গ্রামের মৃত সুমল সরকারের ছেলে শ্যামল সরকার দৈনিক মুক্তসকাল পত্রিকার গাবতলী উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। গত ১লা ফেব্রুয়ারী বিকেলে সুখানপুকুর ইউনিয়ন আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম উজ্জ্বল সাংবাদিক শ্যামল সরকারকে তার অফিসঘরে ডেকে নেয়। এরপর ফিল্মি কায়দায় ওই সাংবাদিককে চর থাপ্পর ও বেধরক মারপিট করা হয়। এ সময় শ্যামলকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলা হয়, ‘আমাদের বিরুদ্ধে কেনো নিউজ করেছিস। ভবিষ্যতে আর কোন নিউজ করলে তোকে এলাকা ছাড়া করাবো।’ এ ব্যাপারে সাংবাদিক শ্যামল সরকার বলেন, সুখানপুকুর ইউনিয়নের দুই ইউপি সদস্যের হাতাহাতির ঘটনা ফেইসবুকে পোষ্ট করায় উজ্জ্বল মেম্বারের নির্দেশে তার অফিসঘরে ডেকে নিয়ে স্থানীয় আমু মিয়া (৩৫) নামের এক ব্যক্তি তাকে মারপিট করেছে। স্থানীয় চায়ের দোকানদার গৌতম বলেন, দুই ইউপি সদস্যের হাতাহাতির ঘটনাটি সত্য। সাংবাদিক শ্যামলকে লাঞ্ছিত করা ঠিক হয়নি। তবে ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম উজ্জ্বল এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, সাংবাদিক শ্যামল সরকারকে কোনো মারপিট করা হয়নি। তবে সে মিথ্যা ও পূর্বের জের ধরে একটি ঘটনা সাজিয়ে ফেইসবুকে পোষ্ট করায় তার সত্যতা জানতে চাওয়া হয়েছিল। দুই ইউপি সদস্যের হাতাহাতির ঘটনাটি সত্য নয় বলে তিনি দাবী করেন। অপর ইউপি মেম্বার ববিতা বেগম জানান, আমি মোবাইলে নয়, সাক্ষাতে কথা বলতে চাই। এ ঘটনায় শ্যামল সরকার বাদী হয়ে ২রা ফেব্রুয়ারী শুক্রবার নুরুল ইসলাম উজ্জ্বল ও আমু মিয়ার নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ এর সাথে কথা বললে তিনি জানান এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রতিষ্ঠাতাঃ মিজানুর রহমান।
প্রকাশক ও সম্পাদক : আবুল কালাম আজাদ বাবু, মোবাইল : ০১৭১১৪১২৮৯৮,
সৈয়দ আহম্মদ কলেজ, সোনাতলা, বগুড়া।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ।। দৈনিক বগুড়া মেইল