1. dainikboguramail@gmail.com : dainikboguramail :
  2. babu24news@gmail.com : mita2023 :
আদমদীঘিতে ইসলামি ব্যাংক এজেন্ট শাখার তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা - দৈনিক বগুড়া মেইল : DainikBoguraMail
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ >>>
গরম ও ভীড়ের কারনে ৩ নারী অসুস্থ্য গাবতলীর ১১টি ইউনিয়নে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ গাবতলীতে সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ গাবতলীতে এক প্রতিবন্ধী পরিবারের ৭টি গরু চুরি গাবতলীতে সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার শাজাহানপুরে বিএনপি নেতাদের কবর জিয়ারত করলেন সাবেক এমপি লালু গাবতলীর মহিষাবান হাইস্কুলের শিক্ষক কর্মচারীরা ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ? বগুড়া লেখক চক্রের উপদেষ্টা কবি শিবলী মোকতাদির এর ৫৫তম জন্মদিন পালন আদমদীঘিতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত  আদমদীঘিতে  ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ আদমদীঘিতে জমিতে বাদাম চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে অনেক কৃষক  

আদমদীঘিতে ইসলামি ব্যাংক এজেন্ট শাখার তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১ জুন, ২০২৪
শিমুল  হাসান,, (আদমদীঘি) প্রতিনিধিঃ আদমদীঘি উপজেলার চাঁপাপুর ইসলামি ব্যাংক এজেন্ট শাখা থেকে গ্রাহকের আমানতের হিসাব থেকে প্রতারণার মাধ্যমে এক কোটি ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে আত্মসাত করার ঘটনায় ক্যাশিয়ার সুজন রহমান তার বাবা ও মাতার বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার আদমদীঘির চাঁপাপুর ইসলামি ব্যাংক এজেন্ট শাখার স্বত্বাধিকারি উপজেলা গোবিন্দপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হলো, আদমদীঘি উপজেলার চাঁপাপুর ইউপির গোবিন্দপুর গ্রামের এনামুল হকের ছেলে ওই ব্যাংকের ক্যশিয়ার সুজন রহমান (২৭), তার বাবা এনামুল হক (৪৬) ও মাতা রুবিয়া খাতুন (৪২)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। মামলা ও গ্রাহক সুত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁপাপুর বাজারে আদমদীঘি উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম তার স্বত্বাধিকারি হিসাবে একটি ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ব্যাংকিং এজেন্ট শাখা ৬জন কর্মচারি নিয়ে প্রায় ৫ বছর যাবত ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। উক্ত এজেন্ট ব্যাংক পরিচালনার জন্য ১নং আসামী সুজন রহমানকে ক্যাশিয়ার হিসাবে শুরু থেকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ব্যাংকে ৩ হাজার ৫০০জন গ্রাহক ব্যাংকের অনলাইন এক্যাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করে আসছিলেন। গত ২৩ মে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ক্যাশিয়ার সুজন রহমান কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিল। ২৬ মে রোববার ওই ব্যাংকে গ্রাহকরা তাদের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা তুলতে এসে দেখেন তাদের একাউন্টে কোন টাকা নেই। এ নিয়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হলে ব্যাংকের স্বত্বাধিকারি নুরুল ইসলাম তাদের ব্যাংকের অনলাইন একাউন্টে হিসাব নিকাশ চেক করে দেখতে পান গ্রাহক মাতাপুর গ্রামের ফরিদা বেগম, পালনকুড়ি গ্রামের রেহেনা, দীঘিরপাড় এলাকার এমদাদুল হক, ঝাকইড় গ্রামের আজিজার রহমান, বাহাদুরপুর গ্রামের মাহফুজা বেগমসহ  ৪০জন গ্রাহকের একাউন্টে অভিনব কায়দায় তাদের হিসাব নম্বরে টাকা জমা না করে প্রতারনার মাধ্যমে বিভিন্ন সময় অপর আসামীদের সহযোগিতায় ব্যাংকের হিসাব থেকে এক কোটি ২০ লাখ টাকা উত্তোলন পূর্বক আত্মসাত করে উধাও হয় ওই ব্যাংকের ক্যাশিয়ার সুজন রহমানসহ তার বাবা মা। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ রাজেশ কুমার চক্রবর্তী মামলা দায়ের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, এই ব্যাংকে রাখা অধিকাংশ প্রবাসিদের পাঠানো টাকা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ।।  দৈনিক বগুড়া মেইল
Theme Customized BY Themes Seller.Com